করোনা আবহে রোগ প্রতিরোধে চিকিৎসক-বিশেষজ্ঞমহলের টিপস
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক:করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আরও ভয়াবহ হয়ে উঠছে। এই সময় শরীর ঠিক রাখতে ও রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য কী খাওয়া উচিত তা জেনে নিন। চিকিৎসক-বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, কিছু প্রয়োজনীয় টিপসের কথা। গৃহবন্দী দশায় অনেকেরই মেদবৃদ্ধি হচ্ছে। ঘরবন্দি থাকার কারণেই এই সমস্যা বাড়ছে। কোভিড সংক্রমণের দ্বিতীয় তরঙ্গ আছড়ে পড়তেই বিপদ বেড়েছে। শরীরে অতিরিক্ত ওজন বেড়েছে। এর থেকে রক্ষা পেতে প্রয়োজনীয় কিছু উপায় রয়েছে।
চিকিৎসক-বিশেষজ্ঞরা এক্ষেত্রে বলছেন,ক্যালোরির দিকে নজর রাখুন। ক্যালোরির দিকে নজর রাখা অত্যন্ত জরুরি। নজর দিতে হবে খাদ্য তালিকায়। চকোলেট, আইসক্রিম ও চিপস থেকে দূরে থাকতে হবে। ডায়েটে ফল, সবজি ও ভুট্টার তৈরি কিছু খাবার রাখতে পারেন। আবার শরীরে চাই প্রোটিনও। প্রোটিন শরীর গঠনে সহায়তা করে। এই সময় শরীরের জন্য অবশ্যই প্রোটিন-জাতীয় খাবার খেতে হবে । হাই-প্রোটিন জাতীয় খাদ্য অতিরিক্ত খাদ্যাভ্যাস প্রতিহত করে থাকে ৷ শরীরকে সতেজ ও শক্তিশালী রাখতে সহায়তা করে প্রোটিন।
শরীরে মেদ কমাতে চাই ফাইবার জাতীয় খাবার। মেদ বা ভুঁড়ি কমলে শরীর থাকে ফিট, সচল ও চনমনে। শরীরে অতিরিক্ত মেদবৃদ্ধি অনেক সময়েই প্রবল সমস্যা তৈরি করে । মেদবৃদ্ধির নিয়ন্ত্রণে ফল, বাদাম, গম ও ব্রকোলি জাতীয় সবজি শরীরে ফাইবারের মাত্রা বৃদ্ধি করে দেয়। এক্ষেত্রে শরীরকে অতিরিক্ত মেদের হাত থেকে মুক্তি দেয়।
শাকসবজির গুরুত্ব রয়েছে অনেকটাই। শাকসবজি শরীরের পুষ্টিগুণ নিয়ন্ত্রণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে। চিকিৎসক-বিশেষজ্ঞরা আরও জানিয়েছেন,শরীরে দরকার প্রচুর পরিমাণে জল। স্বাস্থ্য ধরে রাখার জন্য ও শরীরে জলের ভারসাম্য বজায় রাখতে এটা অত্যন্ত জরুরি। প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ সকালে উঠে খালি পেটে প্রায় ২ গ্লাস জল খাওয়া উচিত। ওজনহ্রাস এবং শরীরে সক্ষমতা বজায় রাখতে জলের একান্ত প্রয়োজন ।
এক্ষেত্রে চিকিৎসক-বিশেষজ্ঞ মহলের আরও বক্তব্য,ডায়েট চার্ট শুধু মানলে হবে না, দরকার সময় মতো খাওয়াদাওয়াও। ওজন ঝড়িয়ে ফেলার ক্ষেত্রে খাওয়াদাওয়ার অনিয়ম শরীরে নানাবিধ সমস্যা তৈরি করতে পারে। সময় মেনে প্রাতরাশ, মধ্যাহ্নভোজন ও রাত্রের খাদ্যগ্রহণ প্রয়োজন। শরীরকে একটি রুটিন মাফিক জীবনযাপনে অভ্যস্ত করতে হবে। নিয়ম মেনে চললেই শারীরিক ও মানসিক উভয় দিকই ভালো থাকবে।
মতামত সহ লাইক ও শেয়ার করবেন।

